
ডেস্ক রিপোর্টঃ
হরিয়ানা, দিল্লি, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে জাল বিস্তার করা একটি ভুয়ো কয়েন চক্রের সন্ধান পেল পুলিশ। নাটবল্টু তৈরির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ কারবার চালাচ্ছিল চক্রটি। হরিয়ানার সোনিপত জেলায় গত ১০ মাস ধরে একটি কারখানায় নাটবল্টু তৈরির আড়ালে এই ভুয়ো ২০ টাকার কয়েন তৈরি করা হচ্ছিল। পুলিশের অনুমান, বাজারে ইতিমধ্যেই ৭০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ভুয়ো কয়েন ছড়িয়ে পড়েছে। সোনিপতে পুলিশ হানা দিতে পারে—এই আশঙ্কায় এবং এক সঙ্গীকে দিল্লি পুলিশ আগেই গ্রেফতার করায়, অভিযুক্তরা ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে উত্তরপ্রদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন।পুলিশের কাছে এক গোপন চরের মারফৎ খবর পৌঁছায় যে, তিন জন সন্দেহজনক ব্যক্তি ভারী যন্ত্রপাতি বসানোর জন্য ৫০০ বর্গফুটের একটি জায়গা খুঁজছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। মুজ়ফ্ফরনগর পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে মোট পাঁচজনকে আটক করে:উপকার লুথরা ওরফে অভয়প্রতাপ সিংহ (তীতরোঁ এলাকা থেকে ধৃত)হিমাংশু ওরফে গুল্লু (সাহরানপুর থেকে ধৃত)কূলদীপ (মুজ়ফ্ফরনগর থেকে ধৃত)সন্তোষ চৌরাসিয়া ওরফে জনার্দন ও অনুরাগ পাল ওরফে লঙ্কেশ (সহযোগীদের গাড়ি সহ একটি মোড় থেকে গ্রেফতার)ধৃতদের গাড়ি তল্লাশি করে ৬,৪০০টি ভুয়ো ২০ টাকার কয়েন (যার মূল্য ১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা) এবং বেশ কিছু অসম্পূর্ণ কয়েন সহ মোট প্রায় ৫ লক্ষ টাকার সামগ্রী এবং ছ’টি বিরাট উৎপাদন যন্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়। বিহার পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে সাহরানপুর পুলিশ বিহারের মধুবনী থেকে মিথিলেশ চৌরাসিয়াকে গ্রেফতার করে। তিনি ধৃত সন্তোষ চৌরাসিয়ার ভাই। জেরা করে জানা যায়, এই চক্রে তাঁর মূল দায়িত্ব ছিল কয়েন তৈরির পর্যাপ্ত কাঁচামাল জোগান দেওয়া।
