
মধ্যপ্রদেশ:
মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়ারা জেলায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। চৌরাই থানা এলাকার চানহিয়াখুর্দ গ্রামের ৩২ বছর বয়সী প্রীতি বর্মা কথিতভাবে বিষাক্ত পদার্থ খেয়ে নেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু চিকিৎসা চলাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশি তদন্তে জানা গেছে যে, বিষ খাওয়ার আগে প্রীতি নিজের দুই হাত ও পায়ে মেহেদি দিয়ে একটি দীর্ঘ বার্তা লিখেছিলেন, যেখানে তিনি তাঁর ওপর হওয়া কথিত নির্যাতন ও নিজের কষ্টের কথা উল্লেখ করেছিলেন।হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থার কারণে তাঁর মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দি রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। এমতাবস্থায় শরীরে লেখা মেহেদির শব্দগুলোই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে উঠেছে। পুলিশ মহিলার হাত ও পায়ে লেখা সমস্ত বার্তার ছবি এবং ভিডিও রেকর্ডিং করে তথ্য-প্রমাণ সুরক্ষিত করেছে, যা ফরেনসিক তদন্তের জন্য পাঠানো হবে।২০১৩ সালে লখন বর্মার সাথে প্রীতির বিয়ে হয়েছিল। তাঁদের ১০ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে, অন্যদিকে বড় ছেলের আগেই অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ প্রীতির বাপের বাড়ির লোকজনের জবানবন্দি রেকর্ড করছে এবং স্বামীর মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল চ্যাটও খতিয়ে দেখছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনা এবং মানসিক নির্যাতনসহ সমস্ত দিক বিবেচনা করে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
