
ডেস্ক রিপোর্টঃ
বিয়ে করে সংসারের কাজ করা মানেই পরিচারিকা হিসেবে কাজ করা নয়। সমাজ ও পরিবারে মহিলাদের অবদান নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের। বৃহস্পতিবার (১১ জুন, ২০২৬) বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি এন কোটিশ্বর সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, যাঁরা ঘর সামলান, তাঁদের শুধু ‘হোমমেকার’ বা গৃহবধূ বললে হবে না। ঘরের বাইরেও সমাজ গঠনে তাঁদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই তাঁদের এখন থেকে ‘নেশন বিল্ডার’ বা দেশ গড়ার কারিগর বলা উচিত।পথ দুর্ঘটনায় মৃত এক গৃহবধূর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার এক মামলার রায় দান করতে গিয়েই এ দিন শীর্ষ আদালত এই ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষণ করেছে। মোটর ভেহিকল অ্যাক্টের অধীনে ওই গৃহবধূর দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুতে যে ক্ষতিপূরণ ধার্য করেছিল নিম্ন আদালত, তা অপর্যাপ্ত মনে করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁর পরিবারবর্গ। এ দিন এই মামলার রায়দানের সময়ে হোমমেকার বা গৃহবধূদের পথদুর্ঘটনায় মৃত্যু বা আঘাতের প্রেক্ষিতে ক্ষতিপূরণ দাবির নতুন নীতি স্থাপন করেছে শীর্ষ আদালত।এর আগে আগে এই ধরনের মামলায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে হোমমেকার বা গৃহবধূদের নোশনাল ইনকাম বা কাল্পনিক আয়, অদক্ষ শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি অনুযায়ী হিসেব করা হতো। যা সাধারণত খুবই কম, মাসে ৮,০০০–১৫,০০০ টাকার আশেপাশে বা তারও কম। কিন্তু শীর্ষ আদালতের নতুন রায় অনুসারে মোটর ভেহিকল অ্যাক্টের আওতায় পথ দুর্ঘটনায় কোনও গৃহবধূর মৃত্যু হলে তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রতি মাসে ন্যূনতম ৩০,০০০ টাকার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
